
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্তদের দায়বদ্ধতা ও বিচার প্রক্রিয়ার তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ কোর্ট। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে প্রথম শুনানি শুরু হবে আগামী ১০ ডিসেম্বর।
সাধারণত এ ধরনের বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হতে পাঁচ থেকে ১০ বছর সময় লাগে। বাংলাদেশ সরকারের দ্রুত কূটনীতিক তৎপরতায় সমস্যার স্থায়ী সমাধানে অভিযুক্তদের দায়বদ্ধতা ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে নির্যাতনের দুই বছরের মাথায়। আর আইনি পদ্ধতির মধ্যে অভিযুক্তদের বিষয়ে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ কোর্ট।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার উভয়ই জেনোসাইড কনভেনশন সই করেছে। এর অর্থ হচ্ছে, এ ধরনের অপরাধ যে রাষ্ট্রে হবে ওই রাষ্ট্র দুর্বৃত্তদের বিচার করতে বাধ্য। কিন্তু এ ধরনের কোনও উদ্যোগ মিয়ানমার নেয়নি। শুধু তাই না- তৃতীয় কোনও দেশ যাতে মিয়ানমারের বিতর্কিত অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে না পারে সে বিষয়েও একটি আদেশ আসতে পারে।’
আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতের (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস -আইসিজে) প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে, একটি প্রাথমিক আদেশ দেওয়া যার মাধ্যমে প্রথমত গণহত্যার কোনও প্রমাণ নষ্ট করা যাবে না। দ্বিতীয়ত ওই প্রমাণাদি সংরক্ষণ করা।
‘যেকোনও বিচারিক প্রক্রিয়া অনেক দীর্ঘ হয়ে থাকে।’ আন্তর্জাতিক অপরাধ কোর্ট কিংবা আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতের যেকোনও মামলা অনেক দিন ধরে চলে এবং এর ফলে এর সম্পূর্ণ সুফল পেতে দেরি হয়।’ বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেকজন কর্মকর্তা।
আই.এ/

