
নুর আহমদ সিদ্দিকী
দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বাঁশখালী উপজেলায় অবস্থিত নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়।বিদ্যালয়ের উত্তর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে খরস্রোতা সাঙ্গু নদী।দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত পাহাড়ি অঞ্চল। সেই সাথে রয়েছে বিশাল পাহাড়ি এলাকা জুড়ে আছে নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ঘেরা বাঁশখালী পুকুরিয়া বেলগাঁও চা বাগান।রামপুরা ডিসি সড়কের সাথে লাগানো নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত।এটা প্রতিষ্ঠা করেন মরহুম মাহবুব আলম আনওয়ার।তাঁর হাত ধরেই পুকুরিয়াতে জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছে। সুজলা সুফলা শান্তিপূর্ণ মনোরম পরিবেশে নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য যে কারো নজরকাঁড়ে।সুউচ্চ একাডেমিক ভবন,সুবিশাল খেলার মাঠ। পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে থাকে বিভিন্ন রকম পাখির আনাগোনা। বিশেষ করে ভোরে আর সন্ধ্যার সময় পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয় ক্যাম্পাস।
পুকুরিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় আজ চট্টগ্রামসহ সারা দেশেই পরিচিত।শিক্ষার্থীদের নীতি আদর্শ, আচার ব্যবহার আর পড়ালেখার গুণগত মানের কারণে দূরদূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এই স্কুলে পড়তে আসে।এদিকে আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ,সাতকানিয়া উপজেলার চরতী,কাঞ্চনা,আমিলাইশ ইউনিয়ন এর বহু শিক্ষার্থী এই স্কুলে অধ্যয়নরত।বিদ্যালয়ের পড়ালেখার সুনাম সর্বত্র ছড়িয়ে গেছে বলেই দূরদূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এই স্কুলে পড়তে আসে।শিক্ষার্থীদের তদারকি আর অভিভাবকদের সাথে শিক্ষকদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগের ফলে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করে থাকে।স্কুলের শিক্ষার্থীদের শালীন পোশাক অভিভাবকদের আকৃষ্ট করে।স্কুল ছুটি হলে শুভ্র সফেদ পোশাকে শিক্ষার্থীদের দেখতে চমৎকার লাগে।মেয়েদের হিজাব পরিহিত ইউনিফর্মে চমৎকার দেখায়।
শিক্ষার্থী,শিক্ষক,অভিভাবকদের মেলবন্ধন প্রতিবারই ভালো ফলাফল উপহার দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা।বর্তমানে চট্টগ্রামের নামকরা স্কুলের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়।বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম মাহবুব আলম আনওয়ার এর মৃত্যুর পর তাঁর সুযোগ্য সন্তান জনাব রাহাবার আলম আনওয়ার সাহেব স্কুলের হাল ধরেছেন।নিজের পরিবারের মত করেই আগলে রেখেছেন এই স্কুলকে।তাঁর সুদক্ষ পরিচালনায় স্কুলের সুনাম সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছেন।তিনি বহুগুণে গুণান্বিত।তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তির ফলে আজ নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর সুনাম সবার মুখে মুখে।প্রিয় বিদ্যাপীঠ আগামীতে আরো এগিয়ে যাক সেই প্রত্যাশায়।

