
নোয়াখালী জেলার সাথে পশ্চিম অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ এর অন্যতম মাধ্যম মাইজদী শহর।নোয়াখালী পৌরসভা থেকে সদর পশ্চিমাঞ্চলের এই জনবহুল এবং ব্যস্ততম সড়কটি দত্তবাড়ি থেকে উদয় সাধুর হাট গিয়ে পৌঁছেছে। ৮টি ইউনিয়নের প্রায় হাজার হাজার জনগণ প্রতিনিয়ত এই রাস্তা দিয়ে নোয়াখালী শহর মাইজদী সহ সারা বাংলাদেশে যাতায়াত করে।
রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে কেউ অসুস্থ হলে তাড়াতাড়ি তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। গর্ভবতী নারীর দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরিস্থিতি নেই।
দীর্ঘ বছর ধরে এই সড়কটি নিয়ে জনগনের ভোগান্তির পরও রাস্তাটি নতুন করে নির্মাণ করা নিয়ে জনগনের সঙ্গে চরম তামাশা আর প্রতারণা করা হচ্ছে। রাস্তা সম্প্রসারণ ও নির্মাণের নাম করে জোড়াতালি দিয়ে কোনো রকমের দায় সারা কাজ করে চলে যাচ্ছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
বার বার যেনতেন ভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে রাস্তাটি। যা বর্তমান সরকার এর উন্নয়ন এর সাথে পুরাপুরি সাংঘর্ষিক পদক্ষেপ। এটি আট ইউনিয়নের জনগনের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। সদর পশ্চিম অঞ্চলে একটা ভালোমানের বিনোদন জায়গা নেই।। সুস্থ শারীরিক চর্চার জন্য ভালো একটা খেলার মাঠ নেই। একটা জনপদ এভাবে কি চলতে পারে?
বিগত বিএনপি জামায়াত সরকারের আমলে শাহজাহান এমপি ছিলেন ৩ বার এই আসনের সাংসদ।কিন্তু বারবার আশ্বাস দিয়েও সদর পশ্চিমে রাস্তা ঘাটসহ দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন করেনি বিএনপি জামায়াত সরকারের জোট সরকার।
২০০৯ এর নির্বাচনে নোয়াখালীর-৪ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হোন জনাব একরামুল করীম চৌধুরী। তার যথেষ্ট সচেতনতা দেখা গিয়েছে এই সদর পশ্চিম অঞ্চল নিয়ে। তার পক্ষ থেকে বাজেট দেওয়া হয়েছে উন্নয়নের জন্য। কিন্তু দূর্নীতিবাজরা দুর্নীতি করে উন্নয়নে বাঁধা সৃষ্টি করে রাখছে।
এমপি মহোদয় এবং সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তাদের নিকট আমাদের সদর পশ্চিমের জনগণের আবেদন।দ্রুততম সময়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করে জনগণের কষ্ট নিরসনের জন্য আহবান জানাচ্ছি।
সাধারণ জনগণ সবকিছু বলার সাহস পায়না এলাকার কিছু পাতি নেতার ভয়ে। কারণ সত্য প্রতিবাদ করলেও এইসব পাতি নেতা আঘাত করতে চিন্তা করে না। জনগণের কষ্টের ভাষা আপনারা দ্রুত বাস্তবায়ন করুন এবং এলাকার ছেছড়া পাতি নেতার মাধ্যমে কোন উন্নয়নের কাজ না করে সরাসরি আপনারা করুন। তাহলে এইসব দুর্নীতিবাজরা দুর্নীতি করতে সাহস পাবে না।
আই.এ/পাবলিক ভয়েস

