
চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার জহুর হকার্স মার্কেট ও জালালাবাদ মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে।
শনিবার ভোর ৪ টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চারটি স্টেশনের ১৫টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. জসীম উদ্দীন আগুনের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে নগরীর নন্দনকানন, চন্দনপুরা, আগ্রাবাদ ও কালুরঘাট ফায়ার স্টেশনের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আগুনে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। তবে উদ্ধার কাজ চলাকালীন একটি দেয়াল ধসে ফয়ার সর্ভিসের ২জন কর্মী ও এক দোকানদার আহত হয়েছে
এদিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দোকান মালিকরা। যাদের দোকান পুড়ে গেছে তারা পোড়া দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
জহুর হকার্স মার্কেট চট্টগ্রাম নগরের সবচেয়ে বড় হকার্স মার্কেট। প্রায় কয়েক কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত মার্কেটটিতে কয়েক হাজার কাপড়ের দোকান ও টেইলার্স রয়েছে।
নগরের নিম্ন ও মধ্যবিত্তের কেনাকাটার অন্যতম পছন্দের স্থান এ জহুর হকার্স মার্কেট। ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে কমপক্ষে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
জহুর হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল আমিন জানান, জালালাবাদ ও শাহজালাল মার্কেটের দোতলার ৭০টি দোকানের পণ্যসামগ্রী পুড়ে গেছে। এ ছাড়া জহুর মার্কেটের অন্তত ৩০টি দোকান পুড়ে গেছে। এসব দোকানে কম্বল, বেডশিট, আয়রন, অ্যামব্রয়ডারি, রেডিমেড গার্মেন্ট, শার্ট ছিল।
জহুর হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন বাবুল জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণে আজ শনিবার মার্কেট বন্ধ থাকবে।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন গনমাধ্যমে জানিয়েছেন, আগুনে জালালাবাদ মার্কেটের একশের কাছাকছি এবং জহুর হকার্স মার্কেটের ২৫টি দোকান পুড়ে যাবার তথ্য তারা পেয়েছেন। এর মধ্যে নারীপুরুষ ও শিশুর বিভিন্ন পোশাকের দোকান, কম্বলের গুদাম এবং ছোট টেইলারিং কারখানা আছে।
তিনি আরো বলেন, আগুন ঘটনাকে পূজি করে চুরি ও কৌতূহলী মানুষের ভিড় ঠেকাতে কাজ করছে পুলিশ।
/এসএস

