মিন্নিকে হেফাজতে নেওয়ার পর যা জানালেন পুলিশ সুপার

প্রকাশিত: ৬:০২ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০১৯

রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বরগুনা জেলা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া নেওয়া হয়। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টার দিকে বরগুনা পৌরসভার মাইট এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে পুলিশ কার্যালয়ে নেওয়া নেওয়া হয়। মিন্নির বাবাও সঙ্গে রয়েছেন। বর্তমানে মিন্নি ও তার বাবা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।

বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, মামলার মূল রহস্য উদঞঘাটনের ও সুষ্ঠ তদন্তের জন্য এ মামলার ১নং সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি (২০) কে আজ মঙ্গলবার সকালে জবানবন্দির জন্য পরিবারের সদস্যসহ ডেকে আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

তিনি আর বলেন, আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, গত ২৬ জুন চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলারয় পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এক পর্যন্ত এজাহারনামীর ৭ জন যার মধ্যে ৬জন জীবিত ও তদন্ত প্রাপ্ত ৭ জনসহ মোট ১৪ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

গত রোববার বন্দুকযুদ্ধে নিহত রিফাত হত্যার প্রধান আসামী নয়ন বন্ডের মা এবং নিহত রিফাতের বাবার বক্তব্য নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয় এ বিষয় নিয়ে। নয়ন বন্ডের মা দাবি করেন মিন্নি নিয়মিত তাদের বাসায় যাতায়াত করতো। ওদিকে নিহত রিফাতের বাবাও দাবি করেন মিন্নিকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য

এসব নিয়ে আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। তিনি দাবি করেছেন, এই মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তার শশুর তথা রিফাতের বাবাকে কেউ ব্যবহার করছে কেউ কেউ। এছাড়াও তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও কিছু দাবি করেন।

এর আগে গত শনিবার শনিবার রাতে বরগুনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন নিহত রিফাতের বাবা ও মিন্নির শ্বশুর দুলাল শরীফ। একই বোরবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বরগুনা প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে বরগুনার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারেবরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার এক নম্বর সাক্ষী ও নিহত রিফাতের স্ত্রী মিন্নিকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে শ্বশুর দুলাল শরীফ বলেন, ‘আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি আগে নয়ন বন্ডকে বিয়ে করেছিল। ওই বিয়ে গোপন করে রিফাত শরীফকে বিয়ে করে মিন্নি। বিষয়টি আমাদের জানায়নি মিন্নি এবং তার পরিবার।কাজেই রিফাত শরীফ হত্যার পেছনে মিন্নির মদদ রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনলে সব বিষয় পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

আইএ/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন