
অবিভক্ত ঢাকার সর্বশেষ মেয়র, সাবেক মন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকাকে সংসদ ভবনসহ পাঁচটি জায়গায় শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে সন্ধ্যায় রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। মা সালেহা খাতুন ও বাবা এম এ করীমের কবরের পাশে শায়িত হলেন তিনি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মুক্তিযোদ্ধা খোকার মরদেহ শহীদ মিনারে আনা হয়। দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে নামে মানুষের ঢল।
দাফনের সময় মরহুমের পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
খোকার লাশ কবরে নামানোর আগে এই গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে পুলিশের ১৭ সদস্যের একটি চৌকস দল ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার আবদুল আউয়ালের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। তারা এই মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা স্যালুট জানান।
এ সময় পুলিশের এডিসি নাজমুন নাহারসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে আজ সকাল সাড়ে ৮টায় নিউইয়র্ক থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে খোকার মরদেহ পৌঁছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যানসার সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে তিনি মারা যান। কিডনির ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন সাদেক হোসেন খোকা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন।
আই.এ/

