
আকরাম হোসেন নান্দাইল উপজেলা প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহ নান্দাইল ৫ নং গাঙ্গাইল ইউনিয়ন বাংলা বাজারে গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে রোজ বৃহস্পতিবার রাত ৯ ঘঠিকার সময় নান্দাইল ৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরীর হাঁস প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখেন নাসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন আমার পিতা আপনাদের সাথে দীর্ঘ ৬২ বৎসর রাজনীতি করেছেন কাউকে কোন দিন কোন হয়রানী করেন নাই। আমার বাবা মরহুম খুররম খান চৌধুরী আজীবন আপনাদের পাশে ছিলেন। নান্দাইলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাঠ করে গেছেন আমি বাবার কাছ থেকে শিখেছি কি ভাবে
জনগনের সাথে আচার ব্যবহার করতে হয়। আপনারা জানেন আজ যিনি ধান প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে তার আচার ব্যবহার অহংকারী হিংসা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য দালাল বাটপার মাদক জোয়ারীরা তার পাশে বসে এবং তারা হল তার প্রকৃত বন্ধু। আমার চাচা আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী ৯৬ সালে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছিলেন এবং বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম মান্নান ভূইয়ার সাথে বিএনপির বিপক্ষে গিয়ে একটি দল করে ছিলেন সেই দলে ছিলেন আমার চাচা সহসভাপতি। আমরা যারা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি কারো মূল্যায়ন না করে বিএনপিতে একটি সুবিধাবাদী চক্র তাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমাদের শেষ দাবি ছিল ৪ জন হতে যে কোন একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য তাও হলনা আমরা যারা আন্দোলন সংগ্রাম করলাম তারা কি শুধু সংসার ছেড়ে জেল জুলুম নির্যাতনের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছিলাম। এশিয়া মহাদেশে এমন নজির নাই যেখানে নিজ আসন বাদ দিয়ে অন্য আসন হতে এমপি হল নিজের বড় ভাইকে নান্দাইল আসন হতে এমপি বানালো। নিজ ভাইয়ের নামে ১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করল এমন নজির কোথাও নেই ভাই ভাইয়ের জন্য করে আমার বাবা মরহুম খুররম খান চৌধুরী করে গেছেন। আজ তার ছেলে ২০১৮ সালে আমার বাবার বিরুদ্ধে নির্বাচনের প্রার্থী হয় সেই কষ্টে আমার বাবার চোখের পানি অঝোরে পরেছে । ইয়াসের খান চৌধুরী যে আপন চাচার সাথে এত বড় বেইমানি করল সে নান্দাইলের সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করবে হয়রানী করবে লুটপাট করবে এতে কোন সন্দেহ নেই। এই অত্যাচারের হাত থেকে নান্দাইলবাসীকে নিয়ে শান্তিতে বসবাসের জন্য আজ আমার মমতাময়ী মাকে আপনাদের পাশে দাড় করয়েছি। উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরী, সভাপতিত্ব করেন গাঙ্গাইল ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বুলবুল আহমেদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক মেয়র এএফএম আজিজুল ইসলাম পিকুল, ফয়সাল খান, জসিম উদ্দিন ফকির, ওমর ফারুক নোমানী, এনামুল হক এনাম, এম আলমগীর সরকার, জাহাঙ্গীর, টিপু সহযোগী অঙ্গসংগঠন ও ইউনিয়ন নেতৃ বৃন্দ।

