
আনোয়ার হুসাইন স্টাফ রিপোর্টার
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই ভোট কেন্দ্রের চারশত গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধের নির্দেশনার ব্যাপারে ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এই নির্দেশনা দুরভিসন্ধিমূলক। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অসৎ উদ্দেশ্য ছাড়া এর পেছনে আর কি কারণ থাকতে পারে তা আমরা বুঝতে পারি না। নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত আমাদের বিস্মিত করেছে। এই সিদ্ধান্ত অবশ্যই বাতিল করতে হবে।
আজ ৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, অপরাধ করার চিন্তা থাকলেই তথ্যের প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করার অপচেষ্টা দেখা যায়। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও আমরা তথ্যের প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করার জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিলো। তখন মানুষের হাতে মোবাইল থাকায় অপরাধের রেকর্ড রাখা সম্ভব হয়েছে। নির্বাচন কমিশন মোবাইল নিষিদ্ধ করে রেকর্ড রাখার রাস্তাও বন্ধ করতে চাইছে। কোন উদ্দেশ্যে এটা করা হচ্ছে তা জাতি জানতে চায়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর বলেন, ইসির এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশংকা তৈরি হয়েছে এবং ইসির প্রতি অনাস্থার বীজ প্রস্ফুটিত হচ্ছে। আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান করবো, অবিলম্বে এই নির্দেশনা বাতিল করুন। মানুষের মনে কোন সন্দেহ তৈরি করবেন না। একই সাথে আপনাদেরকে সতর্ক করে দিচ্ছি, ১২ তারিখ কোনধরণের কারসাজি করার সাহস করবেন না। জনতাকে স্বাধীনভাবে ভোট প্রদান করতে দিন। ভোটের ফলাফল যথাযথভাবে জাতির সামনে উপস্থাপন করুন। কোন ধরণের ছলচাতুরী বা কারসাজি করার অপচেষ্টা করলে চব্বিশের কথা মনে রাখার আহবান করবো।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বাংলাদেশের বহু মহিলা শরীয়াহ-র নির্দেশনা মান্য করে নেকাব করেন। ভোট কেন্দ্রে তাদের মুখ দেখানোর প্রয়োজন হলে অবশ্যই সেখানে নারী কর্মকর্তা রাখতে হবে। কোন পুরুষের সামনে পর্দানসীন নারীকে নেকাব খুলতে বাধ্য করা যাবে না

