
জাতীয় তাফসীর পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মহাসচিব হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মুফতী বাকি বিল্লাহ ও মুফতী ওমর ফারুক যুক্তিবাদী বাংলাদেশে সুন্দরী প্রতিযোগিতা আয়োজনের খবরে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
আজ এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, এমনিতেই দেশের পরিস্থিতি ভালো নয়। নারী নির্যাতন, অপহরণ ও ধর্ষণ মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ৪ বছরের শিশু থেকে আশি বছরের বৃদ্ধারাও আজ নিরাপদ নয়। তার মধ্যে এধরণের সুন্দরী প্রতিযোগিতা দেশে নারী ধর্ষণকে আরো উসকে দিবে।
আলেমগণ বলেন, পাশ্চাত্য থেকে তথাকথিত সুন্দরী প্রতিযোগিতা আমদানির মাধ্যমে বাংলাদেশকে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পাশ্চাত্যকরণের পন্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। দেশকে বিদেশি সংস্কৃতির আঁধার করে তোলাই এসব ষড়যন্ত্রের লক্ষ্য। এ ধরনের অনুষ্ঠান এদেশের সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যহীন, অবমাননাকর ও অশোভন। পাশ্চাত্যের বেলেল্লাপনাময় এই প্রতিযোগিতা আমাদের মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। বিশ্বায়নের অভিঘাতে এদেশের সংস্কৃতিকে বদলে দেয়ার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশ্ব সংস্কৃতির সার্বজনীনতা তত্তে¡র আড়ালে সুন্দরী প্রতিযোগিতার অনুশীলন এদেশের জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা আরো বলেন, মহিলাদের সৌন্দর্য ফেরি করা মুসলিম সমাজে প্রচলিত নয়। এদেশের মহিলারা ধর্মবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সবকিছুর ক্ষেত্রে নিজস্ব সংস্কৃতির অনুবর্তী হতে বাধ্যবাদকতা রয়েছে মহিলাদের। সামাজিক আচার-আচরণের ক্ষেত্রে নিজস্ব আচার-আচরণ, প্রথা-পদ্ধতি, নিয়ম-কানুন বা রীতি-রেওয়াজ রয়েছে। এদেশের মানুষ স্বীয় আদর্শ ও মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে থাকেন। তাই এধণের সুন্দরী প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে।
/এসএস

