
ইসমাঈল আযহার
পাবলিক ভয়েস
কাতারের রাজধানী দোহায় বহুকাক্সিক্ষত তালেবান-আফগান শান্তি আলোচনা শুরু হয়। এ আলোচনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনেক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে গত দু’দিন ধরে আলোচনা বন্ধ রয়েছে। উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো যোগাযোগ হয়নি। আজ শনিবার তোলো নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উভয় পক্ষ কবে নাগাদ আবারও আলোচনা শুরু করবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু বলা যায় না।
আফগানিস্তানের সংসদ সদস্য সা’দ জহির মাসরুর বলেছেন, যদি তারা (তালেবান) আন্তঃআফগান বৈঠকে কোনও দৃঢ়প্রত্যয়ী আলোচ্যসূচি নিয়ে আসতে না পারে, তবে তারা নিজেদের সমর্থনকারীদের কাছ থেকে নতুন মতামত খুঁজতে একটি ফাঁক তৈরি করবে।
রাজনৈতিক সমঝোতা বিষয়ক জাতীয় পুনর্মিলনের হাই কাউন্সিলের উপ-প্রধান আসাদুল্লাহ সাদাতী এক সমাবেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আলোচনায় বিভাজনমূলক বক্তব্য দেশের পক্ষে বিপদজনক হতে পারে।
হিজবে ইনকিলাবে ইসলামী দলের প্রধান আবদুল হাকিম মুনিব বলেন, সব সিদ্ধান্ত বর্তমান সংবিধান এবং জাফারি যুদ্ধের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। এটি নিয়ে আমাদের কোনও সমস্যা নেই, আমরা এটি সমর্থন করি।
কাবুলের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফয়জুল্লাহ জালাল বলেছেন, আমি এই প্রতিনিধি দলের কর্তৃপক্ষ এবং বিপরীত দিকের প্রতিনিধিদের সম্পর্কে জানি না। আমরা জানি যে উভয় পক্ষের দাবি রয়েছে এবং জটিলতা রয়েছে।
কাবুল ও তালেবান উভয় দলই ১২ সেপ্টেম্বর আলোচনার শুরুর দিনটিতে ‘‘যোগাযোগ গ্রুপ’’ নামে একটি ছোট গ্রুপ গঠন করেছে। যোগাযোগ গ্রুপটি নিয়মকানুন এবং আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে এখন পর্যন্ত পাঁচটি বৈঠক করেছে।
প্রাথমিকভাবে আলোচনার জন্য ২৩ টি নিবন্ধ ছিল। যোগাযোগ গ্রুপটির মধ্যে সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পরে এগুলো ২০-এ কমিয়ে আনা হয় এবং এগুলো এখনও পরিবর্তন হতে পারে।
এদিকে, কাবুলে এক সমাবেশে হিযব-ই-ওয়াহাদাত-ই-ইসলামী দলের প্রধান মোহাম্মদ মহাকিক বলেন, আফগানিস্তানে শান্তি ‘অনিবার্য’ এবং শান্তি আলোচনাকারী দল একই উদ্দেশ্যে নিয়ে দোহায় অবস্থান করছে। তিনি আলোচনার এই সময়টাতে উভয়পক্ষকে নমনীয়তা প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
আই.এ/

