
চীনে বিদেশি সাংবাদিকরা কড়া নজরদারিতে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার এক প্রবীণ সাংবাদিক। সংবাদমাধ্যম এবিসির চীন ব্যুরো চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিক ম্যাথিউ কার্নি এবিসির ওয়েবসাইটে এক প্রতিবেদনে এ দাবি করেন।
তিনি বলেন, ‘এটি এমন এক ধরনের নজরদারি, যে সম্পর্কে চীনা সরকার আপনাকে জানাতে চায়। জিনজিয়াংয়ে গিয়ে উইগুরদের গণহারে বন্দি করে রাখার বিষয়ে প্রতিবেদন লেখার সময় এবিসি টিমকে ঘিরে রেখেছিলেন প্রায় ২০ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা। এমনকি মধ্যরাতে আমাদের হোটেল রুমের দরজায় নক করা হতো এবং প্রতিদিনের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন করা হতো। ’
তিনি বলেন, ‘তবে গোপন সাইবার নজরদারিও হয়েছে এবং কখনো কখনো আমি সেটি দেখেও ফেলি। ’ নিজের অভিজ্ঞতার বিষয়ে এ সাংবাদিক বলেন, ‘একবার ভোরে আমার ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর দেখি কেউ একজন দূর থেকে আমার ফোন নিয়ন্ত্রণ করছে এবং আমার ইমেইল অ্যাকাউন্টে ঢুকছে।
তিনি বলেন, ‘তারা অনুসন্ধান করে একটি ইমেইল খুঁজে পায়, যেখানে নিউইয়র্কের একজন অ্যাক্টিভিস্ট তিয়ানানমেন গণহত্যার সময় ধারণ করা এবিসির ‘ট্যাংক ম্যান’ ফুটেজটি পাওয়ার জন্য অনুরোধ করে। ইমেইলটি খোলা ছিল, তাই আমি ঘটনাটি বুঝতে পেরেছিলাম। আমার ধারণা, তারা ইচ্ছে করেই এটি করেছে যেন আমি বুঝতে পারি যে নজরদারিতে রয়েছি। ’ চীনে কাজের অভিজ্ঞতা প্রথমবারের মতো বিশ্ববাসীকে জানাচ্ছেন বলেও জনান এ সাংবাদিক। সূত্র: ইন্ডিয়াব্লুমস
ওয়াইপি/পাবলিক ভয়েস

