ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ফিলিস্তিনিদের পিঠে খঞ্জর বসাচ্ছে ওমান!

প্রকাশিত: ৬:২৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনীতিক সম্পর্ক স্থাপনে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে কথিত মুসলিম রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর প্রায় এক মাসের মাথায় ইসলামের শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে হাত মিলানোর ঘোষণা দেয় বাহরাইনও। তবে কি এবার সেই পথেই হাঁটতে যাচ্ছে আরেক উপসাগরীয় আরব দেশ ওমান?

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত ও বাহরাইনের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো এবং সম্প্রতি ইসরায়েলি গোয়েন্দা মন্ত্রীর বক্তব্যে তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে। ইসরায়েলের সঙ্গে বাহরাইনের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সিদ্ধান্তকে ওমান স্বাগত জানিয়েছে বলে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়।

দেশটি আশা করছে, এই পদক্ষেপ ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি অর্জনে অবদান রাখবে। পাকিস্তানের জনপ্রিয় পত্রিকা দ্য ডন জানিয়েছে, আমিরাতের পর দ্বিতীয় উপসাগরীয় আরব দেশ হিসেবে বাহরাইন গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয়।

এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওমান সরকার বলেছে, ওমান মনে করে কিছু আরব দেশের নেওয়া এই কৌশলগত পদক্ষেপ ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় শান্তি অর্জনে অবদান রাখবে।

গত ১৩ আগস্ট ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেওয়ার পর ইসরায়েলি গোয়েন্দা মন্ত্রী কয়েক দিন আগে বলেছিলেন, ওমানও ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন করবে। অবশ্য এখন পর্যন্ত আমিরাত ও বাহরাইনের সম্পর্ক স্বাভাবিক করণের ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও ইসরায়েলের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

এ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে আরব দেশগুলোর সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণাকে ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও আল-আকসা মসজিদের সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং ফিলিস্তিনিদের ‘পিঠে ছুরি মারার’ শামিল বলে মন্তব্য করেছেন ফিলিস্তিনি নেতারা।

আই.এ/

মন্তব্য করুন