
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিন ছাড়া কোনও গতি খুঁজে পাচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে বর্ষা কাটতেই শীতের প্রকোপ বাড়বে, তাতে বেশ খারাপ অবস্থা হবে মানুষের। শীত কড়া নাড়লেই করোনার প্রকোপ বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা সাবধান করছেন, শীত পড়লে করোনার নতুন ঢেউ দেখতে পারেন বিশ্ববাসী।
এমনিতেও শীতকালে সর্দিকাশির প্রভাব বেশি থাকে। কারও কারও টাইফয়েড, নিউনোমিয়াও হয়। ভাইরাল জ্বরও হয়ে থাকে ঘরে ঘরে। এর মধ্যে যদি করোনা বাড়ে, সেটা সামলানো কঠিন হবে। তাই এ বছরের শীতকাল নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। বিজ্ঞানীরা এও জানাচ্ছেন, হার্ড ইমিউনিটি তৈরি কতটা হয়েছে, তা কেউ জানেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বছরের শীতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা হবে আরও বেশি ভয়ঙ্কর।
সমগ্র বিশ্বের খারাপ পরিণতির অবস্থা বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞরা একটি মডেল তৈরি করেছেন। তাতে বলা হচ্ছে, ব্রিটেনের হাসপাতালেই ২৪ হাজার ৫০০ থেকে ২ লাখ ৫১ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ২০২১ সালে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটেনে সর্বোচ্চ মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা। করোনার প্রথম ধাক্কায় সংক্রমণে এখন পর্যন্ত ব্রিটেনে আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজারের বেশি।
দেখা যাচ্ছে, সংক্রমণ কেটে যাওয়ার ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত এঁদের শরীরে অ্যান্টিবডির মাত্রা শীর্ষে ছিল, তারপর ধীরে ধীরে কমে পুরো উধাও হয়ে যাচ্ছে। গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ৬০ শতাংশ রোগীর শরীরে সংক্রমণের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভাল অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে মাত্র ১৭ শতাংশের শরীরে সেই পরিমাণ অ্যান্টিবডি সংক্রমণের ৩ মাস পরেও থাকে। অর্থাৎ শীতকালের পরে এই ১৭ শতাংশ বাদে বাকিদের নতুন করে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে এর মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে গেলে সংক্রমণ কমানো যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা। টাইমস অব ইন্ডিয়া
আই.এ/

