
কবর গুলো জলছে আগরবাতি-মোমবাতি, ছিটানো রয়েছে গাদা, গোলাপ সহ নানা রঙের ফুল, আলোয় ভরা সে সমাধির পাশে দাঁড়িয়ে মৃত ব্যক্তির আত্মার চিরশান্তির প্রার্থনা করছেন স্বজনেরা।
শনিবার (২ নভেম্বর) শেষ বিকেলের আকাশে যখন বিদায়ী সূর্যের লালচে আভা উঁকি দিচ্ছিল, তখন থেকেই চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটার রাণী জপমালা গির্জার কবরস্থানে জড়ো হতে থাকেন শোকার্ত স্বজনেরা।
তাদের কারও কারও চোখে জল। কেউ দাঁড়িয়ে আছেন নীরবে। হয়তো না ফেরার দেশে চলে যাওয়া মানুষের স্মৃতি ভেসে উঠছে মনের আঙিনায়।
কেউ আবার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ফাদার, সিস্টারদের সামনে মুখটি বাড়িয়ে দিচ্ছেন। খ্রিষ্ট প্রসাদের স্বাদ নিয়ে বন্ধ করছেন দু’চোখ। ফাদারের ধর্মীয় প্রার্থনার সঙ্গে শিল্পীদের কণ্ঠে ভেসে আসছে ধর্মীয় গানও।
বিকেল ৫টার দিকে শুরু হওয়া প্রার্থনা কার্যক্রম শ চলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। চট্টগ্রাম আর দায়োসিসের প্রধান আর্চবিশপ মজেজ কস্তা এই প্রার্থনা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
প্রতিবছর ২ নভেম্বর বিশ্বজুড়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায় ‘অল সোলস ডে’ পালন করে আসছে। এ দিন মৃত ব্যক্তির শান্তি কামনায় সমাধিতে এসে ফুল আর মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা জানান তাদের স্বজনেরা।
/এসএস