
কাওছার আহমেদ,পটুয়াখালী প্রতিনিধি: জমি জমা বিরোধের জের ধরে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল -০১ এর ১০/১৬ নং মামলার প্রধান আসামী ইছাহাক সিকদারের বিরুদ্ধে অন্যতম সাক্ষী বীরঙ্গনা তালিকাভুক্ত মোসা. ছৈতুন নেছাকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। পটুয়াখালী সদর উপজেলার পশ্চিম টাউন কালিকাপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় ৪ জনকে অভিযুক্ত করে পটুয়াখালী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভিকটিম ছৈতুন নেছা।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ ও ভিকটিম সূত্রে জানা গেছে, বীরঙ্গনার স্বামী আঃ রশিদ মৃধার সাথে একই এলাকার প্রতিবেশী গণি মৃধার সাথে জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রে ধরে গণি মৃধা গত ২৯ জুলাই আ রশিদ মৃধার ভোগ দখলীয় জমিতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ক্ষতি সাধন করে। এ ঘটনায় বীরঙ্গনা ছৈতুন নেছা পটুয়াখালী সদর থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন।
জানা গেছে, দাঙ্গাবাজ দুই মেয়ে সালমা বেগম (৩০) ও নাজমা বেগ(৩৫) সহ কয়েকজন অজ্ঞাত ভারাটিয়া সন্ত্রাসী বীরঙ্গনার স্বামী আ. রশিদ মৃধার পৈত্রিক ভোগ দখলীয় জমিতে থাকা আমগাছ, কলাগাছ, পেয়ারা গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলে। ছৈতুন নেছা ও তার পুত্রবধু বিলকিস বেগম এবং নাতি রাকিব নিষেধ করলে বিরোধী পক্ষ গণি মৃধা ও তার তিন ছেলে মেয়ে সালমা বেগম, নাজমা বেগম ও ফিরোজ মৃধাসহ কয়েকজন অজ্ঞাত ভারাটিয়া সন্ত্রাসী রাম দা ও লাঠি সোটা দিয়ে উপুর্যপরি এলাপাথারি পিটিয়ে ও কুপিয়ে বীরঙ্গনা ছৈতুন নেছা ও নাতি রাকিবকে গুরুতর আহত করে।
এ সময় হামলাকারী সালমা বিলকিস বেগমের গলায় থাকা এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে হুমকি দিয়ে চলেগেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। তখন তাদের চিল্লাপাল্লায় স্থানীয় লোকজন এসে গুরুতর আহত ছৈতুন নেছাকে ২৫০ শয্যা বিশিস্ট পটুয়াখালী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। তার শরীরে মারাত্মক ব্যথা-যন্ত্রনা করে বলে ছৈতুন নেছা সাংবাদিকদের জানান।
স্বজনরা জানান, এ ঘটনায় আহত বীরঙ্গনা ছৈতুন নেছা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযোগটি এজাহার ভুক্ত করা হয়নি। এ ব্যাপারে সদর থানার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান মুঠো ফোনে বলেন, থানায় আসেন, সামনা সামনি না আসলে এর প্রতিক্রিয়া জানতে পারবেন না।
আই.এ/পাবলিক ভয়েস