
লালমনিরহাটের সবকটি নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত চার-পাঁচ দিন নদীর পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির বেশ উন্নতি হয়েছিল। তবে দুই দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে পানি বেড়েছে। জেলার ৫ উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।
একইসঙ্গে নদী ভাঙনে গৃহহারা হচ্ছে মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানায়, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি সেতু কুলাঘাট পয়েন্টে ৩৬ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে তিস্তা নদের পানি দোয়ারি পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান জানিয়েছেন ,বন্যা মোকাবিলায় সরকার শতভাগ প্রস্তুত রয়েছে বলে। তিনি বলেছেন, 'বন্যা শুরু হওয়ার আগে চাল, শুকনা খাবার, নগদ টাকা এবং তাবু দেওয়া হয়েছে। তাবু দেওয়াটা এবার ব্যতিক্রম। যাতে বন্যার্ত কাউকে খোলা আকাশের নিচে থাকতে না হয় সেজন্য প্রত্যেক জেলায় ৫০০ করে তাবু পাঠিয়েছি। আমরা বন্যা মোকাবিলায় শতভাগ প্রস্তুত রয়েছি।’
প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, 'আমরা আন্তমন্ত্রণালয়ে মিটিং করে ২৩টি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেই সিদ্ধান্তগুলো জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠিয়েছি। শুধু তাই নয়, গো-খাদ্য ও শিশু খাদ্যের জন্য বরাদ্দ দিয়েছি। এছাড়া আমরা বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করছি। কোথায় কী সমস্যা, কেউ দায়িত্বে অবহেলা করছে কিনা, ক্ষতির পরিমাণসহ বাঁধরক্ষা ও নদী ভাঙনের বিষয়ে খোঁজখবর রাখছি।'
আইএ/পাবলিক ভয়েস