
অফিসে ডেকে মোবাইলে পর্ণ দেখাতো কোমলমতি ছাত্রীদের। অফিস কক্ষে এমনকি ক্লাসে বসে ছাত্রীদের শরীরের স্পর্ষকাতর জায়গায় হাত দেওয়ার চেষ্টা করতো। একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টাও করেছে। এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সোনাইমুড়ির একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
নিজের বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আটক করা হয়েছে লম্পট প্রধান শিক্ষক ইউছুফকে। অভিযুক্ত ইউছুফ পূর্ব মির্জা নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নে ইউছুফ নামের এক প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। অভিযুক্ত ইউছুফের বাড়ি সোনাইমুড়ী উপজেলার কাশিপুর এলাকায়। সে নাটেশ্বর ইউনিয়নের পূর্ব মির্জা নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অভিভাবকেরা অভিযোগ করেন, ইউছুফ গত এক মাসের বেশি সময় ধরে বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির একাধিক ছাত্রীকে কৌশলে ডেকে মোবাইলে পর্ণ ভিডিও ও ছবি দেখাত। একইসাথে ক্লাস ও অফিস কক্ষে ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে তাদের শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিত, ছাত্রীদের বাথরুমের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে উঁকি মারতো ও কয়েকজন ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টাও করে।
পরে ভুক্তভোগী ছাত্রীরা বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তাদের পরিবারের লোকজনকে জানায়। ছাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার সকালে অভিভাবকগণ ও স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক ইউছুফকে আটক করে।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সামাদ জানান, শনিবার বিকেল ৩টার পর অভিযুক্ত শিক্ষক ইউছুফের বিরুদ্ধে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। রবিবার তাকে নোয়াখালী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে।
/এসএস