
স্বামীর সঙ্গে লুডু খেলায় হেরে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে সাভারের আশুলিয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, আশুলিয়ার গোরাট এলাকার তাহাজ উদ্দিনের বাড়িতে স্ত্রী ফারজানাকে নিয়ে ভাড়ায় থাকতেন রাজমিস্ত্রি সুমন। দুপুরে স্ত্রীর সঙ্গে লুডু খেলছিলেন সুমন। এসময় ফারজানার ১২ বছর বয়সী ছোটভাই মশিউর রহমানও সাথে ছিলো। খেলায় স্ত্রী হেরে যায়। খেলায় হেরে গিয়ে অভিমান করে রুমের ভিতরে গিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
স্থানীয়রা জানায়, ছোট ভাই ও স্বামীর সাথে বসে একত্রেই লুডু খেলছিলো ফারজানা। হেরে যাওয়ার পর অন্য রুমে গিয়ে দরজা আটকে দেয়। এক পর্যায়ে ফারজানার ছোট ভাই জানালা দিয়ে দেখতে পায় তার বোন গলায় ওড়না দিয়ে ঝুলছে। দুলাভাই সুমনকে ডাকলে দরজা ভেঙে ফারজানাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেয়ার পথে ফারাজানা শেষ নিঃশ্বাষ ত্যাগ করে।
নিহত ফারজানার ছোট ভাই মশিউর রহমান (১২) বলে, দুপুরে আমি ও আমার বোন ফারজানা ও ভগ্নিপতি সুমন লুডু খেলছিলাম। আমার বোন হেরে যায়। এ সময় তিনি কক্ষের অভ্যন্তরে ঢুকে আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে পড়েন।
আশুলিয়া থানার এসআই জামিনুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে লাশটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের হস্তান্তর করা হয়।
নিহত ফারজানা রংপুর জেলার আদিতমারী থানাধীন কালিরহাট এলাকার হযরত আলীর মেয়ে। ৭-৮ মাস আগে একই এলাকার রাজমিস্ত্রি সুমনের সঙ্গে পারিবারিক সম্মতিতে তার বিয়ে হয়েছিল। তিনি স্বামী সুমনের সঙ্গে আশুলিয়ার গোরাট এলাকার তাহাজ উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
/এসএস