এম সালমান আহমদ সুজন তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলাধীন ঘাগটিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান হাফেজ মাওলানা মোজাম্মেল হক হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সীরাত প্রতিযোগিতায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন।
এই গৌরবময় অর্জনে তাহিরপুরবাসী, বিশেষ করে ঘাগটিয়া গ্রামের মানুষের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। একজন মেধাবী, দ্বীনি শিক্ষানুরাগী ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁর এই সাফল্য এলাকার জন্য গর্বের বিষয় বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সীরাত কনফারেন্সে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। দেশের জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফিযাহুল্লাহর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণের মুহূর্তটি হাফেজ মাওলানা মোজাম্মেল হকের জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দের, স্মরণীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ডীন ড. মানজারুল আলম, শায়খ সাইফুল্লাহ মাদানি, শায়খ আহমাদুল্লাহ, মাওলানা মুশতাক ফয়েজী, প্রফেসর মুখতার হুসাইন এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আমানুল্লাহ মুজাহিদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এ অসাধারণ সাফল্যের জন্য হাফেজ মাওলানা মোজাম্মেল হক সর্বপ্রথম মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন। পাশাপাশি তিনি হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং তাঁর প্রিয় শিক্ষক জনাব সাজিদ ইসলাম, জনাব মোয়াজ্জেম হোসাইন, জনাব ইয়াকুব ও জনাব আব্দুস সালাম স্যারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা, উৎসাহ, উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা তাঁকে এ প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে বিশেষভাবে সহায়তা করেছে।
তিনি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করেন, আল্লাহ যেন তাঁর সম্মানিত শিক্ষকদের উত্তম প্রতিদান দান করেন এবং এ অর্জনকে তাঁর জন্য দ্বীনি ইলমের পথে আরও এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যম হিসেবে কবুল করেন।
তাহিরপুরের কৃতি সন্তান হাফেজ মাওলানা মোজাম্মেল হকের এই সাফল্যে আমরা আন্তরিকভাবে গর্বিত। তাঁর আগামী দিনের পথচলা আরও সাফল্যমণ্ডিত হোক—এই কামনাই সবার। আমিন।