সফিউর রহমান সাকিব
সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি আবদুল্লাহ আল মামুনের (৩৫) মরদেহ ২১ দিন পর গ্রামের বাড়ীতে এসে পৌছেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে তার মর দেহ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর একটার দিকে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বরভরা নিয়ে আসা হয়। মামুনকে বিকেলে আছরের নামাযের পর জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এর আগে ৮ মার্চ সৌদি আরবের আল-খারজ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মামুন দগ্ধ হন। তার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে রিয়াদে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সোমবার দুপুর থেকে আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়িতে আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা যায়।
লাশ বাড়িতে এলে বাবা শহীদুল ইসলাম ও মা শাহেদা খাতুন বিলাপ করে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন।
আছরের নামাজের পর জানাযা শেষে বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানায়,জীবিকার সন্ধানে পনের বছর আগে সৌদি আরব যান মামুন। সর্বশেষ ৫ বছর আগে তিনি দেশে এসেছিলেন।
আবদুল্লাহ আল মামুন,ও
শারমীন আক্তার দম্পতির
মাহাদী শেখ নামে ৬ বছরের একটি ছেলে রয়েছে।
নিহত আবদুল্লাহ আল মামুনের বাবা শহীদুল ইসলাম সওদাগর বলেন,'আমার দুই ছেলে দীর্ঘ দিন যাবত সৌদি আরবে থাকেন।মেজো ছেলে মামুন ঈদের পর বাড়িতে আসার কথা থাকলেও লাশ হয়ে এলো।
নিহতের চাচা গুলজার সওদাগর বলেন,আমার ভাতিজা পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরাতে ১৫ বছর ধরে বিদেশে ছিলেন। গত ১৭ মার্চ সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।